বাংলাদেশের পরিবর্তনে হ্যাঁ ভোট দেওয়া আবশ্যক, পঞ্চগড়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা

গণভোটে বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে হলে, অতীতের মতো যেন না হয়, সরকার যেন অতীতের মতো না চলে, অতীতের মতো কর্মকান্ড থেকে যদি পরিত্রাণ পেতে হয়, তাহলে অবশ্যই জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল দিতে হবে বলেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অপারেশনাল কার্যক্রম ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যদি আমরা হ্যাঁতে সিল না দেই, তাহলে আমাদের সামনে এতগুলা রক্তের বিনিময়ে যে অপারচুনিটি এসেছে, সেই অপারচুনিটি আমরা লুজ করবো (হারিয়ে ফেলবো)। আগের তিমিরেই আমরা ফিরে যাবো। এটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, এটা অটোমেটিক্যালি হবে।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের উপমহাদেশের যে রিলেশন, চীনের সঙ্গে যে রিলেশন, এটা একেক দেশে একেক রকম। যে কারণে আমরা যদি পরিকল্পনাও করি, এখানে একটি রাস্তা বের করে চীন পর্যন্ত যাবো, সেটা হবে না। যেতে হলে আমাদের নেপাল অথবা ভুটান যেতে হবে। তবে নেপাল এবং ভুটান যদি পোর্ট ব্যবহার করতে চায়, সেক্ষেত্রে মোংলা পোর্টকে আমরা যুক্ত করতে পারি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘স্থলবন্দরতো কাজ করছে, পাথরতো আসছে; সেটা বন্ধ হয়নি। ভুটান, নেপাল ও ইন্ডিয়া থেকেও আসছে। যারা পাথরের ব্যবসা করেন তাদের জন্য এখনো কিছু বন্ধ হয়নি। তবে যাত্রী যাতায়াত কমেছে। এটা শুধু এখানে নয়, সারাদেশে কমেছে। এটার কারণ ভারত ভিসা দিচ্ছে না নানা কারণে। সে হিসেবে আমাদের এখানেও ভিসা বেশি দেয়া হচ্ছে না।
এসময় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, তেঁতুলিয়ার ইউএনও আফরোজ শাহীন খসরু, এসিল্যান্ড এসএম আকাশসহ স্থলবন্দরের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, পঞ্চগড়