নোয়াখালী-৪: মিষ্টি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়িতে বিজয়ী প্রার্থী

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার। এরই মধ্যে বেসরকারিভাবে ঘোষিত হয়েছে জয়ী প্রার্থীদের নাম। সেই ঘোষণার পর নোয়াখালী-৪ আসনে ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে গেলেন ধানের শীষ প্রতীকের জয়ী প্রার্থী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান। এসময় সেখানে এক সৌহাদ্যপূর্ণ দৃশ্য দেখা গেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে মো. শাহজাহান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির মো. ইসহাক খোন্দকারের বাসায় যান। এসময় হাসিমুখে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এসময় দুই দলের শীর্ষ পর্যায়ের এই দুই নেতা একে অপরের কুশল বিনিময় করেন এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন। নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়ন বজায় রাখতে একে অপরের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। একপর্যায়ে একে অন্যজনকে মিষ্টিমুখ করান। তাদের সাক্ষাত চলাকালে সংগঠন দুটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. শাহজাহান ইত্তেফাক ডিজিটালকে বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মাত্র। দিনশেষে আমরা সবাই একই এলাকার মানুষ। এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের জন্য আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকা জরুরি। আমরা নির্বাচনের মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে গিয়ে সবাই এলাকার উন্নয়ন এবং শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে একযোগে কাজ করবো।

হেরে গিয়েও সৌহার্দ্যের নজির গড়লেন সারজিস আলমহেরে গিয়েও সৌহার্দ্যের নজির গড়লেন সারজিস আলম
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, সদস্য কামরুজামান হাফিজ ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মো. শাহজাহান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইসহাক খন্দকার চেয়ে ৭০ হাজার ১৯৩ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষিত হয়েছেন। মো. শাহজাহান পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট এবং মো. ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।

-মামুন