গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনা নয়: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হলে গাজা উপত্যকায় যে আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হবে, সেখানে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।

সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বলেন, গাজা পরিস্থিতি নিয়ে প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে ইসরায়েল। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হলো হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা অঞ্চলকে সম্পূর্ণভাবে অস্ত্রমুক্ত করা।

নেতানিয়াহু জানান, গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করা হবে, সেখানে তুরস্ক কিংবা কাতারের কোনো সেনার ভূমিকা থাকবে না। তাঁর ভাষায়, গাজার মাটিতে এই দুই দেশের সামরিক উপস্থিতির কোনো জায়গা নেই।

যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে গাজায় কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক বাহিনীর মূল দায়িত্ব হবে গাজার সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া, যারা হামাসের পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভবিষ্যতে গঠিত হতে যাওয়া এই বাহিনীর প্রধান হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

-আফরিনা সুলতানা