দুই লাখ টাকা পেলে বাঁচতে পারে ছোট্ট তিথী

খাসজমিতে জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বাচ্চু মিয়া ও শাহনাজ বেগমের সংসার। ভূমিহীন বাচ্চু দিনমজুরি করেন। তাঁর সামান্য রোজগারে স্ত্রী, মা এবং দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে কোনোরকমে চলছিল সংসার। এখন তাদের জীবন একেবারে থেমে গেছে। বাচ্চু-শাহনাজ দম্পতির ছোট মেয়ে পাঁচ বছরের বন্যা আক্তার তিথীর হৃদযন্ত্রে ছিদ্র ধরা পড়েছে। টাকার অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ। এ অবস্থায় মেয়েকে বাঁচাতে সবার কাছে সহায়তার অনুরোধ করেছেন এই দম্পতি।

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কর্তিমারী বাজারপাড়া এলাকায় বাচ্চু মিয়ার ঘর। সেখানে সরকারি খাসজমিতে টিনের চালা তৈরি করে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কোনোরকমে মাথা গুঁজে আছেন এই দিনমজুর।

তিনি জানান, জন্মের পর থেকে তাঁর মেয়ে তিথীর হৃদযন্ত্রে ছিদ্র। দ্রুত অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। আগামীকাল মঙ্গলবার অস্ত্রোপচারের দিন রয়েছে। সে জন্য দরকার প্রায় দুই লাখ টাকা। কিন্তু তিথীর হতদরিদ্র মা-বাবার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। তিথীর মা শাহনাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ডাক্তার বলেছেন দুই লাখ টাকা হলে অপারেশনসহ সব খরচ মেটানো যাবে। কিন্তু এত টাকা কোথায় পাবো? সমাজের দয়াবান মানুষেরা সহায়তার হাত বাড়ালে আমার মেয়েটি হয়তো বেঁচে যেত।’

যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, ‘সবাই একটু একটু করে সহায়তা করলে মেয়েটি সুস্থ হতে পারে।’ তিথীর জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা– ব্যাংক হিসাবধারীর নাম মোছা. শাহনাজ বেগম, হিসাব নম্বর– ৬২০৯১০১০০৫৩০৮; সোনালী ব্যাংক পিএলসি, কর্তিমারী বাজার শাখা, কুড়িগ্রাম। মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর– ০১৩২৩-১৪৫৩৪৭ (শাহনাজ বেগম, ব্যক্তিগত)।

-saimun