ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালটি চিকিৎসক সংকটে ভুগছে। হাসপাতালে ৩ জন ডাক্তার দিয়ে কোন মতো চলছে হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। ডাক্তার সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষ।
এছাড়াও গাইনী ও এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার না থাকায় প্রায় দেড় যুগ ধরে বন্দ রয়েছে হাসপাতালে সিজারের কর্যক্রম। এতে নষ্ট হতে বসেছে ওটিতে থাকা মূল্যবান সরঞ্জাম । এ উপজেলায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে শতকরা ৭৫ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার জন্য নির্ভর করছে এই হাসপাতালটির উপর।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটিতে সরকারি চিকিৎসকের সংখ্যা রয়েছে ১৯টি। এর মধ্যে কাগজে কলমে ৫ জন কর্মরত থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সহ মাত্র ৩ জন। ১৪ জন ডাক্তারের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। অফিস সূত্র জানা যায় ৩ জন ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
অপরদিকে গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গর্ভবতী মায়েদের প্রসূতির জন্য বিনামূল্যে ডিএসএফ’র কার্যক্রম চালু থাকলেও হাসপাতালে গাইনী ও এ্যানেস্থেশিয়া কোন ডাক্তার না থাকায় প্রায় প্রতিদিন এসব রোগীকে সিজারের জন্য জেলার বাইরে যেতে হচ্ছে।
-মোঃ আমানুল্লাহ আদীব, ঠাকুরগাঁও










