গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবশেষে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘পিস প্ল্যান’ বা শান্তি পরিকল্পনার অধীনে গঠিত এই প্রশাসনিক কাঠামোর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব দ্য গাজা স্ট্রিপ’ (NCAG)।
সরকারের নেতৃত্বে কে, কীভাবে চলবে?
১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী আলী আবদেল হামিদ শাথ। তিনি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং অতীতে প্যালেস্টাইনিয়ান অথরিটি (পিএ) সরকারের উপ-পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার চূড়ান্ত শাসনক্ষমতা বা নীতিনির্ধারণী কর্তৃত্ব থাকবে ‘বোর্ড অব পিস’ নামক একটি বিশেষ পরিষদের হাতে, যার প্রধান থাকবেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ীই এনসিএজি সরকার পরিচালিত হবে।
‘বোর্ড অব পিস’-এর নির্বাহী প্রতিনিধি হিসেবে মিসরে দায়িত্ব পালন করবেন বুলগেরিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলাই ম্লাদেনভ। এনসিএজি প্রধান আলী আবদেল হামিদ শাথ ইতিমধ্যে কায়রোতে তার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন।
গঠন প্রক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূমিকা
এনসিএজি গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রভাবশালী দেশ মিশর ও কাতার। সরকারের বাকি ১৪ জন সদস্যের নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, জানা গেছে তারা সকলেই গাজার স্থানীয় বাসিন্দা এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবী।
একটি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এনসিএজি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ থাকলেও, এর নিম্নপর্যায়ে পশ্চিম তীরের প্যালেস্টাইনিয়ান অথরিটি (পিএ) সরকারের প্রভাব বজায় থাকবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
মোঃ আশফুল আলম | উপ-সম্পাদক










