সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য বহিস্কৃত হওয়া বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এসএকে একরামুজ্জামানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মঙ্গলবার তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান কার্যালয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ একে একরামুজ্জামান।পরে এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘২০০৪ সাল থেকে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে আমি বিএনপির পতাকাতলে ছিলাম।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার সম্মানে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে দাখিলকৃত আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আপনাদের নিকট দোয়া প্রার্থী এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে আপনাদের পাশে যেন থাকতে পারি। প্রসঙ্গত, একসময় সৈয়দ এ, কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামীলীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে তার আওয়ামীলীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়া হয়। তবে সৈয়দ এ, কে একরামুজ্জামান এর দাবি তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন।

খ,ম,জায়েদ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া