কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় তিন সন্তানের জননী মহিমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী বাবলু মিয়া পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের বানিয়ার ভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দম্পতির মধ্যে প্রকাশ্য কোনো বিরোধ ছিল না। তারা দুজনেই মাছের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
আফরিনা সুলতানা/










