‘আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি: হিরো আলম

উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ থেকে রায় পেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম নির্বাচনী জটিলতা কাটিয়ে উঠলেন। হাইকোর্টের এই রায়ের মাধ্যমে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পথে যে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন মুছে গিয়েছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পুনরায় নিশ্চিত হয়েছে।

রায়ের পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) হিরো আলম নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি একটি পোস্টে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি, মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার।” তার এই পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়েছে এবং সমর্থকরা স্বাগত জানিয়ে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

পূর্বে মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত নানা জটিলতা ও আইনি প্রতিবন্ধকতার কারণে হিরো আলমের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে হাইকোর্টের আপিল বিভাগ এই বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় তিনি পুনরায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনুমতি পেলেন। আদালতের এই রায়কে হিরো আলম ও তার সমর্থকরা ন্যায়বিচারের বিজয় হিসেবে দেখছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিরো আলমের সমর্থকরা তাদের আনন্দ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই রায়কে ন্যায়বিচারের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করে লিখেছেন, এটি প্রমাণ করে আইনের পথে নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়ে ন্যায়ের জয় সম্ভব। বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে হিরো আলমের এমন আপিল জয় এবং নির্বাচনী অংশগ্রহণের সুযোগ অনেকের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

হিরো আলমের নির্বাচনী অংশগ্রহণ এখন নিশ্চিত হওয়ায় আগামি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তার সক্রিয় উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল এবং উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা ও সমর্থকরা এখন চোখ রাখছেন, আগামী ভোটের মাঠে হিরো আলম কেমন প্রভাব ফেলতে পারেন।

এই রায়ের মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট হয়েছে, আইনের পথে ধৈর্য ও ধ্রুবতা বজায় রেখে যেকোনো নির্বাচনী প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা সম্ভব। হিরো আলমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।

বিথী রানী মণ্ডল/