থাইল্যান্ডের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমত জরিপে এগিয়ে আছে দেশটির প্রগতিশীল বিরোধী দল ‘পিপলস পার্টি’ এবং এর নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত। দুটি পৃথক জরিপে দেখা গেছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
জরিপের ফলাফল:
সুয়ান দুসিত পোল (৬-৯ জানুয়ারি): পিপলস পার্টির পক্ষে ৩৪.২% সমর্থন রয়েছে। ক্ষমতাসীন ভুমজাইথাই পার্টির সমর্থন ১৬.২% এবং সাবেক ক্ষমতাসীন দল ফিউ থাই ১৬.০% সমর্থন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত ৩২% মানুষের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন।
NIDA পোল (৫-৮ জানুয়ারি): এই জরিপেও পিপলস পার্টি ৩০.৫% সমর্থন নিয়ে শীর্ষে এবং ভুমজাইথাই পার্টি ২২.৩% সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
তরুণ ও শহুরে ভোটারদের বিপুল সমর্থনে পিপলস পার্টি (সাবেক মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি) শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০২৩ সালের নির্বাচনে মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি সর্বোচ্চ ভোট পেলেও সেনাবাহিনী-সমর্থিত আইনপ্রণেতাদের বাধার কারণে ক্ষমতায় আসতে পারেনি। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে দলটি ভেঙে দেওয়া হয়।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল গত ১২ ডিসেম্বর তার নড়বড়ে সংখ্যালঘু সরকারের পতন এবং অনাস্থা ভোটের আশঙ্কায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। এবারের নির্বাচন পিপলস পার্টি, রক্ষণশীল ভুমজাইথাই এবং ফিউ থাই-এর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে গত তিন বছরে তিনজন প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন এবং বারবার অস্থিরতার পর এই নির্বাচনকে নতুন এক সংঘাতের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারাদণ্ড এবং তার মেয়ে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে আদালতের মাধ্যমে পদচ্যুত করার পর ফিউ থাই পার্টির জনপ্রিয়তা কমে ১৫.৪%-এ নেমে এসেছে।










