লন্ডনগামী উড়ন্ত বিমানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এক যাত্রী। কিন্তু দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজনে নিকটস্থ লাহোর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। ফ্লাইট নিয়ে ফিরে আসেন ঢাকায়। সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। ততক্ষণে মারা যান ওই যাত্রী। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিমান বাংলাদেশ।
কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কাছাকাছি কোনো বিমান বন্দরে অবতরণের নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে পাইলট পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফেরত আসেন। সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা। দীর্ঘসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় বিমানেই ওই যাত্রী মারা যান। পরে আবহাওয়াজনিত কারণে বিমানটি ওই দিন আর লন্ডনে যেতে পারেনি। এতে দুর্ভোগে পড়েন অন্য যাত্রীরা।
ঘটনার সঠিক তথ্য উদ্ঘাটনে বিমানের ফ্লাইট সেফটি প্রধানসহ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমায় যাওয়ার পর একজন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেডিক্যাল ডিক্লেয়ার করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরত আসে। ওই যাত্রী মারা গেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
সংশ্লিষ্ট যাত্রীর মেডিকেল ফিটনেস, ফ্লাইট ডাইভারশন বা ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক ছিল কিনা, ইন-ফ্লাইট ফার্স্ট এইড ব্যবস্থা সময়মতো নেয়া হয়েছিল কিনা বিষয়গুলো কমিটি পর্যালোচনা করবে বলে জানা গেছে।
-মামুন/










