বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদাকে বিষয়টি অবহিত করলে, তার অনুরোধে এবং বিভাগীয় মামলার শর্তে ওই দিন রাতে শাহরিয়ার জালালকে পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আদালতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ পনির শেখ খাস কামরায় অবস্থানকালে পাথরঘাটা থানার এসআই শাহরিয়ার জালাল অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেন। সালাম বিনিময়ের পর তিনি অত্র আদালতের সি.আর. ৭৮০/২৩ নং মামলার একটি কাগজ দেখিয়ে মামলার আসামি মোঃ রাজু মিয়ারের জামিনের সুপারিশ করেন।
এই সময় তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামিকে জামিন দিয়ে একটি রিকল করার ব্যবস্থা করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট এই বেআইনি তদবিরে বিব্রতবোধ করেন। ম্যাজিস্ট্রেটকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এসআই শাহরিয়ার ঘুষ দিতে চান। এ সময় কার্য অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় কোর্ট পুলিশের সিএসআই, জিআরও এবং আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অত্র আদালতেই ম্যাজিস্ট্রেট এসআই মোঃ শাহরিয়ার জালালকে আটক করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পাথরঘাটা সার্কেল বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করলে, তিনি বিভাগীয় মামলার আশ্বাস দিলে সোমবার রাতে এসআইকে মুশলেখার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এসআই আটকের ব্যাপারে পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এ বিষয়ে বিচারক অর্ডারসিটে যা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেইভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেট এবং এসআই শাহরিয়ার জালালের ব্যাপার। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারছি না।
-মামুন/