বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনুমোদন পাওয়ায় যেকোনো সময় এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য এনটিআরসিএ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে সেটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন এনটিআরসিএ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারবে।
সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে তিনটি অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্যপদের তথ্য কারিগরি সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শেষ করেছে এনটিআরসিএ। এবারের গণবিজ্ঞপ্তিতে সমতা বিধানসহ কিছু নতুন পরিবর্তন যুক্ত করা হয়েছে, ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক প্রার্থী শিক্ষক পদে সুপারিশ পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে প্রাথমিকভাবে যাচাইয়ের জন্য প্রায় ৭২ হাজার শূন্যপদের তথ্য চেয়ে তিনটি অধিদপ্তরে চিঠি পাঠায় এনটিআরসিএ। যাচাই শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ২৯ হাজার ৫৭১টি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৮৩৩টি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৩৬ হাজার ৮০৪টি শূন্যপদের চাহিদা এনটিআরসিএর কাছে পাঠানো হয়। সব মিলিয়ে ৬৭ হাজার ২০৮টি পদে নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪১ হাজার ৬২৭ জনকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং ১৮টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
মালিহা নামলাহ










