স্পোর্টস ডেস্ক: লা লিগায় ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজেদের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। নতুন বছরের (২০২৬) শুরুতেই কাতালান ডার্বিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
নিজেদের মাঠে ম্যাচের শুরুতে ২০ মিনিটের মাথায় প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করে এস্পানিওল। সতীর্থের থ্রু বল পেয়ে বক্সে ঢুকে গোলের সামনে ছিলেন রবার্তো ফের্নান্দেস, তবে গোলকিপার গার্সিয়ার সামনে একান্ত সুযোগেও জাল খুঁজে পাননি তিনি। ২৮ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে এসে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন লামিনে ইয়ামাল, কিন্তু বল পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে রাফিনিয়ার ফ্রি–কিকে বক্সের ভেতর থেকে হেড নিতে ব্যর্থ হন ফেররান তোরেস। এর দুই মিনিট পর দুর্দান্ত এক সেভে দলকে রক্ষা করেন বার্সেলোনা গোলকিপার গার্সিয়া। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ইয়ামালের শক্তিশালী শটও ঠেকিয়ে দেন এস্পানিওল গোলরক্ষক মার্কো দিমিত্রোভিচ।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে এস্পানিওল। তবে ৬৪ মিনিটে গোলরক্ষক গার্সিয়া ফের্নান্দেসের বিপজ্জনক এক প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেন। ৭১ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করে বার্সেলোনা। গোলমুখের সামনে থেকে এরিক গার্সিয়ার শট ঠেকিয়ে দেন এস্পানিওলের মার্কো দিমিত্রোভিচ। তার কিছুক্ষণ পর ইয়ামালের আরেকটি আক্রমণে পেদ্রি শট নিতে ব্যর্থ হন।
বার্সেলোনা বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পেতে তাদের ঘাম ঝরাতে হয়েছে। ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল ০-০।
৮৬ মিনিটে অবশেষে ডেডলক ভাঙেন দানি ওলমো। বদলি হিসেবে নামা ফার্মিন লোপেজের চমৎকার পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে গোল করে বার্সাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। ৯০ মিনিটে ফের এস্পানিওলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানদোভস্কি। এবারও অ্যাসিস্টের ভূমিকায় ছিলেন সেই ফার্মিন লোপেজ।
এই জয়ে বার্সেলোনা লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল। টানা নবম জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়ে শিরোপার পথে আরও এক ধাপ এগোল ব্লাউগ্রানারা।










