তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কার্যক্রমে তথ্য কর্মকর্তাদের ওপর বড় ধরনের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় করে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর কল্যাণপুরে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে (এনআইএমসি) বিসিএস (তথ্য) ৪২তম পেশাগত প্রবেশক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যসচিব বলেন, ‘সরকারের কার্যক্রম জনগণের কাছে এবং জনগণের কথা সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে বিসিএস তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করেন।’
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে একটি ‘তথ্য একাডেমি’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে কর্মকর্তাদের অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাদারিত্বের সমন্বয়ে সত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামূল কবীর কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধি-বিধান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে আরও দক্ষ হলে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
প্রশিক্ষণ ও ফলাফল ১২ সপ্তাহব্যাপী এই প্রশিক্ষণে বিসিএস তথ্য ক্যাডারের ২২ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে সামগ্রিক দক্ষতায় পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসার সাইফুদ্দিন আল মাদানী মর্যাদাপূর্ণ ‘মহাপরিচালক পদক’ অর্জন করেন।
মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সিলেট জেলা তথ্য অফিসার রকিবুল হাসান। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন তথ্য অধিদপ্তরের মোছা. আফসানা মিমি ও খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন তথ্য অফিসার নোবেল দে ও সাইফুদ্দিন আল মাদানী।









