৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

ছবি: যুগান্তর

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। তীব্র শীতের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।

চুয়াডাঙ্গায় প্রচণ্ড শীতের কারণে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠাণ্ডার সঙ্গে টানা চার দিন সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।এর আগে গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জেলায় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তখন পর্যন্ত মৌসুমের সর্বনিম্ন ছিল।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হাড় কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষ। জীবিকার তাগিদে দিনমজুর, ভ্যানচালক ও বিভিন্ন শ্রমিককে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে। শহর ও গ্রামের মানুষই শীতের দাপটে বিপর্যস্ত। কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে, আর গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র মানুষ আগুন জ্বেলে শরীর গরম করার চেষ্টা করছে। গত রোববার থেকে জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি।

চুয়াডাঙ্গা শহরের চা ও মুদি দোকানি আনারুল ইসলাম লিল্টন জানান, ”ভোরে দোকান খুলতে গেলেই ঠাণ্ডায় হাত অবশ হয়ে আসে। জীবিকার তাগিদে দোকান খুললেও প্রচণ্ড শীতে ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম।”

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ”বুধবার সকাল ৮টায় রেকর্ড করা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই এ মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।”

আফরিনা সুলতানা/