জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যকার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমঝোতা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরেণ্য অভিনেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি লিখেছেন—
“সেই তো তোদের আসল রূপ দেখালি, তবে এতদিন জনগণকে কেন বোকা বানালি?
এখানেই থামেননি তিনি। সরাসরি দুই রাজনৈতিক নেতা আখতারুজ্জামান ও অলি আহমেদকে ইঙ্গিত করে তিনি ছুড়ে দিয়েছেন চরম ধিক্কার। তাঁর সাফ কথা— “ধিক তোমাদের দুজনকে।
একজন ছাত্রনেতা থেকে মুক্তিযোদ্ধা, এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’-এর প্রযোজক হিসেবে সোহেল রানা সবসময় অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে সোচ্চার। তাই তরুণ প্রজন্মের একটি দলের হঠাৎ করে জামায়াতের সঙ্গে হাত মেলানোকে তিনি ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখছেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপি যুক্ত হওয়ায় এটি এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আসন ভাগাভাগি নিয়েও চলছে দরকষাকষি। দলের ভেতর বিদ্রোহ: এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এনসিপির ভেতরেই শুরু হয়েছে ভাঙন! যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীনসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। জনমনে প্রশ্ন যারা রাষ্ট্র সংস্কারের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তাদের এই আদর্শিক বিচ্যুতি কি সাধারণ মানুষ মেনে নেবে? নাকি জনপ্রিয়তায় বড় ধস নামবে?
বিথী রানী মণ্ডল/










