আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝুঁকিপূর্ণ খুলনা-৫ আসনে পলাতক চরমপন্থী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নির্বাচনী পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা চরমপন্থীরা আবার সক্রিয় হতে শুরু করেছে। তারা গোপন বৈঠক, অর্থ সংগ্রহ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাতে অচেনা ব্যক্তির চলাচল বেড়েছে এবং কিছু এলাকায় ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনা ঘটেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনী সময়ে চরমপন্থীদের সক্রিয়তা ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। অতীতে খুলনা-৫ আসনে চরমপন্থী সহিংসতার ইতিহাস থাকায় পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। পলাতক চরমপন্থীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান ও টহল বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, খুলনা-৫ আসন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলাজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। আসন্ন নির্বাচনের আগে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
এম এম সি/










