ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে না—এমন বিধান রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। আজ বুধবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সিম বা ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে নাগরিককে নজরদারি বা হয়রানি করলে তা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অনুমোদিত খসড়ায় ‘স্পিচ অফেন্স’–সংক্রান্ত নিবর্তনমূলক ধারা সংশোধন করে কেবল সহিংসতার আহ্বানকে অপরাধ হিসেবে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতে আপিল ও সালিসবিষয়ক ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় ও কমিশনের ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হয়েছে। প্রতি চার মাসে বিটিআরসিকে গণশুনানি আয়োজন ও তার ফলাফল ওয়েবসাইটে প্রকাশের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।
সাবরিনা রিমি/










