মির্জা আব্বাস বলেন, ১৭ বছর পর শুধু তারেক রহমানই ফিরছেন না, বরং বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরত আসছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত এবং খালেদা জিয়ার লালিত সেই গণতন্ত্রকে সঙ্গে নিয়েই তারেক রহমান দেশে ফিরছেন।
তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশে ফিরবেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তার আগমন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ১৭ বছর পর শুধুমাত্র তারেক রহমান নয়, বরং গণতন্ত্র ফেরত আসছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশে যে গণতন্ত্র শহীদ জিয়ার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যে গণতন্ত্র দেশনেত্রী খালেদা জিয়া লালন করেছেন। আজকে সেই গণতন্ত্র সঙ্গে নিয়ে আসছেন তারেক রহমান। তাকে স্বাগত জানাবে দেশের জনগণ।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গোপীবাগের সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আব্বাস বলেন, দেশের যারা ভালো চায় না, দেশকে ভালোবাসে না, তারা দেখতে মানুষের মতো, কিন্তু মানুষরূপী শয়তান। এরা ’৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে, ’৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, তারা দেশের শান্তি চায় না। তারা কিছুদিন চুপ থাকলেও আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত বিকশিত হচ্ছে। তাদের কার্যক্রম খুবই ধারাবাহিক।
গণতন্ত্রের সামনে অগণতান্ত্রিক শক্তি টিকে থাকতে পারে না উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, যারা ষড়যন্ত্র করছেন সাবধান হয়ে যান। প্রথম আলো-ডেইলি স্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়া হলো, এরা কারা। এরা জাতির শত্রু। এদেরকে থামাতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি এদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করার সুযোগে অনেকে গণতন্ত্রের নামে মব সৃষ্টি করে জনজীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। সরকারকে অবিলম্বে মব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে










