তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদনের তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোউ জিয়াকুন বলেছেন, তাইওয়ান দ্বীপকে অস্ত্রসজ্জিত করা অব্যাহত রাখা মানে আগুন নিয়ে খেলা। এই তৎপরতা তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট সম্প্রতি তাইওয়ানের জন্য রেকর্ড ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে হাউইটজার, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন রয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক বিবৃতিতে বলেছেন, তাইওয়ানকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করা মানে “নিজেদের গায়ে আগুন জ্বালানো”।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জিয়াকুন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে তাইওয়ানকে অস্ত্রসজ্জিত করার এই বিপজ্জনক পদক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের কাছে উন্নত অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা অনুমোদনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ ‘এক চীন’ নীতি এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত তিনটি যৌথ চুক্তিকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করে।
চীন তাইওয়ানকে তার নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে এবং মার্কিন এই পদক্ষেপকে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও “এক চীন নীতি”র (One China Principle) চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।
এর আগে জুন ২০২৫-এ সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ চীনকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করলে চীন একই ধরনের কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।










