অতিরিক্ত সিমের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করুন মাত্র কয়েক ধাপে

বর্তমানে অফারের লোভে অনেকেই একাধিক সিম ব্যবহার করেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব সিম অকার্যকর হয়ে পড়ে বা বছরের পর বছর ব্যবহারহীন অবস্থায় থাকে। নতুন সিম কিনতে গেলে পূর্বে কেনা অতিরিক্ত সিমগুলো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে বিশেষজ্ঞরা অনাবশ্যক সিম দ্রুত বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

কীভাবে নিজের অপ্রয়োজনীয় সিম বন্ধ করবেন

১. মোবাইল থেকে যাচাই:

জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার সংখ্যা প্রদান করুন।

সিস্টেম জানাবে আপনার নামের সঙ্গে কয়টি সিম নিবন্ধিত আছে।

২. হেল্পলাইন কল করে:

যে সিম বন্ধ করতে চান, সেটি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের হেল্পলাইনে কল করুন (যেমন ১২১)।

জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের পর সিম বন্ধ করা হবে।

৩. কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে:

হারানো বা অন্যের ব্যবহৃত সিম বন্ধ করতে সরাসরি অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যান।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিয়ে তথ্য যাচাইয়ের পর সিম বন্ধ করা হয়।

অপারেটরভিত্তিক নিয়ম

গ্রামীণফোন (GP): হেল্পলাইন ১২১; জিপি সেন্টারে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিয়ে সিম বন্ধ।

বাংলালিংক: হেল্পলাইন ১২১; বাংলালিংক সেন্টারে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সিম বন্ধ।

রবি: হেল্পলাইন ১২১; কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে সিম বন্ধ।

টেলিটক: হারানো সিম বন্ধ করতে কাস্টমার কেয়ারে যান বা হেল্পলাইনে কল করুন।

এয়ারটেল: *16001# ডায়াল করে বা কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে এনআইডির তথ্য দিয়ে সিম বন্ধ।

সিম মালিকানা পরিবর্তনের নিয়ম

উভয় পক্ষ—বর্তমান ও নতুন মালিক—কাস্টমার কেয়ারে উপস্থিত থাকতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, প্রয়োজনে ২টি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইয়ের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন সম্পন্ন হয়।

গ্রামীণফোন সিম অনলাইনে মালিকানা পরিবর্তনের সুবিধা দিয়েছে।

সতর্কবার্তা

হারানো সিম অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে, যা ব্যবহারকারীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। একজন ব্যবহারকারীর নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা যায়। নতুন সিম কিনতে চাইলে পুরনো সিম বন্ধ করা বাধ্যতামূলক।