তারেক রহমানের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার শপথ গ্রহণের পর রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ গেজেট ও প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারেক রহমানকে সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী’ পদে নিয়োগদান করেছেন।”
সংবিধানের এই ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সেই সংসদ সদস্যকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, যার পেছনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন রয়েছে।
নিয়োগের এই প্রজ্ঞাপন জারির পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কার্যদিবস শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে তার কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত, সকাল ১০টয় নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান ও দাপ্তরিক কাজ শুরু। বিকেল ৩টায় সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিদায়ী সচিবদের স্থলে নতুন নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ সংক্রান্ত এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষরের মাধ্যমেই তার নতুন দায়িত্ব শুরু করলেন। এই নিয়োগের গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘তারেক রহমান সরকারের’ চার বছর মেয়াদি সাংবিধানিক যাত্রা শুরু হলো।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি সফল নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতির এই নিয়োগ বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসনের প্রতি জনআস্থার প্রতিফলন। বিশেষ করে ২০ বছর পর বিএনপি নেতার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া এবং সেটি আইনি কাঠামোর মধ্যে দ্রুত সম্পন্ন হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক মহলও।
লামিয়া আক্তার