বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। তবে সংসদ অধিবেশন চালু হওয়ার পর এই শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গতকাল সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, ত্রয়োদশ সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করানো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাংবিধানিক এখতিয়ার। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পাঠ কে করাবেন, তা এখনো নির্ধারিত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, সাংবিধানিক ম্যান্ডেট, কনস্টিটিউশনাল ম্যান্ডেট হচ্ছে দুটি। একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের, অপরটি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের। জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কনস্টিটিউশনালি এটার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
তিনি আরো জানান, সাংবিধানিকভাবে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অ্যাভেইলেবল না থাকলে বা তারা অপারগ হলে বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধি যদি না থাকে, সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অপশন হচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করানো নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি জানান, সংবিধান সংশোধনীসহ বেশ কিছু বিষয় নির্ধারিত হওয়ার পরে তা করা যাবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, এর বাইরে সংবিধান সংস্কার পরিষদ, এটা যদি কনস্টিটিউশনে ধারণ করা হয় সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ট হয় এবং সেই শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল ফর্ম হয়, কে শপথ পাঠ করাবেন সেটা নির্ধারিত হয়।
এমপি হিসেবে শপথের আগে মঙ্গলবার সকালে সংসদ ভবন এলাকায় দলীয় অবস্থান জানিয়েছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।