জামায়াতের দ্বিমুখী কর্মসূচি: বিকেলে বিক্ষোভ, সন্ধ্যায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠক

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে আজ বিকেলে রাজপথে নামছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট। একই দিনে সংসদীয় কার্যক্রমের রূপরেখা নির্ধারণে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সারা দেশে জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তা: জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
মূল দাবি: সারা দেশে নির্বাচনোত্তর সহিংসতা, হত্যা ও নিপীড়ন বন্ধ করা।
নেতৃত্ব: জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, সমাবেশে জামায়াত আমিরসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
মগবাজারে নবনির্বাচিত এমপিদের বৈঠক
রাজপথের কর্মসূচির রেশ কাটতে না কাটতেই আজ সন্ধ্যায় সংসদীয় রাজনীতির কৌশল নির্ধারণে বসছে জামায়াত। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় করবেন।
বৈঠকের গুরুত্ব: এবারের নির্বাচনে জামায়াত এককভাবে ৬৮টি আসনে জয়লাভ করে সংসদে শক্তিশালী ‘ব্লক’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের আগে আজকের এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আলোচ্য বিষয়: সংসদে জামায়াতের ভূমিকা কী হবে, বিরোধী দলীয় উপনেতা কে হবেন এবং নতুন সরকারের সাথে সংসদীয় সম্পর্কের ধরন কেমন হবে-এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেবেন আমির।
১১ দলের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান
জামায়াতের নেতৃত্বে থাকা এই ১১ দলীয় জোট মূলত নির্বাচনের মাঠেও সক্রিয় ছিল। আজকের বিক্ষোভের মাধ্যমে তারা নতুন সরকারকে একটি কঠোর বার্তা দিতে চায় যে, নির্বাচনের পর মাঠ পর্যায়ে কোনো ধরণের সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল ঢাকা নয়, এই প্রতিবাদ কর্মসূচির ঢেউ সারা দেশেই ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
লামিয়া আক্তার