প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ ইতোমধ্যে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ায় নতুন প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন-এ প্রশ্ন সামনে এসেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর যমুনা ভবনটিকেই প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘যমুনাকে আমরা ঠিক করবো। সব ঠিকই আছে। এরপরও যদি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোনো চাওয়া থাকে, সেটার ব্যবস্থা করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ধারণা করা হচ্ছে, চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে অবস্থানের পর তিনি দেশে ফিরে রাজধানীর গুলশানে তার মা খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে উঠেছেন।
তবে আবাসিক এলাকায় সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও গুলশান থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের দূরত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে স্থানান্তরের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সংসদ ভবন চত্বরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সংসদ চলাকালে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ডিসেম্বরে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।
তবে, গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন, মায়ের স্মৃতি বিজড়িত ফিরোজা, নাকি সরকারি বাসভবনে থাকবেন তা নির্ভর করছে তারেক রহমানের ইচ্ছার ওপর।
অন্যদিকে, মিন্টো রোডে অবস্থিত বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অতীতে ১৯৯১-৯৬ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা এবং ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়া ওই বাসভবনে উঠেছিলেন। তবে ২০০১ সালের পর থেকে কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে অবস্থান করেননি।
কিন্তু নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা বলেছিলেন, তারা কেউ সরকারি গাড়ি-বাড়ি ব্যবহার করবেন না।
-বেলাল










