ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ৯৯৯-এ নির্বাচন সংক্রান্ত মোট ৮,৩৮০টি ফোনকল এসেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ কলই ছিল সরাসরি নির্বাচনী অভিযোগ সংক্রান্ত।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন।
অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, মোট কলের মধ্যে ৩,৭১৩টি ছিল গুরুতর অভিযোগ। এসব অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নিষিদ্ধ সময়ে প্রচারণা। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি। ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি।
৯৯৯ কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিটি অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তা সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশসহ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে ৯৯৯-এ ফোন করেছেন ৪,৬৬৭ জন নাগরিক। ভোটারদের সচেতনতা এবং নির্বাচনের দিনের করণীয় সম্পর্কে সহায়তায় ৯৯৯-এর কর্মীরা চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করেছেন।
অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’-এর সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল নাগরিকরা যাতে বিপদে পড়লে বা কোনো অনিয়ম দেখলে দ্রুত রাষ্ট্রীয় সহায়তা পায়।”
উল্লেখ্য, এই বিশেষ নির্বাচনী সেবা কার্যক্রমটি গত ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা চব্বিশ ঘণ্টা চালু ছিল।
-লামিয়া আক্তার









