সম্পা দাস। দেশের পরিচিত নজরুল সঙ্গীত শিল্পী। গানের পাশাপাশি নজরুলকে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে একাধিক গবেষণা গ্রন্থ। জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবিকে নিয়ে নজরুলন সঙ্গীত শিল্পী সম্পা দাস কথা বলেছেন আলোকিত স্বদেশের সাথে।
চলতি বছর নজরুল নিয়ে কোনো এলবামের প্রস্তুতি আছে কিনা?
এখন তো আর এলবামের যুগ নেই। আমার কিছু এলবাম ছিল নজরুলকে নিয়ে করা। আমার খুব ইচ্ছা আছে নজরুলের যে গানগুলো এখনো প্রকাশিত হয় নি সেগুলো কে শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করা। গান প্রচারের এখন অনেক মাধ্যম আছে। সবগুলো মাধ্যমে যেন নজরুলকে উপস্থাপন করতে পারি।
অনেকে নজরুলকে নিয়ে ফিউশন করছেন এটিকে কিভাবে দেখেন?
নজরুলকে নিয়ে অনেকে ফিউশন করেছেন এটিকে আমি ইতিবাচক হিসেবে দেখি। কারন তার যে সৃষ্টি কর্ম রয়েছে যে কোনভাবে হোক মানুষের কাছে পৌছাক। সেটি ফিউশন বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াতেও হতে পারে। এই বিষয়টি আমাকে নাড়া দেয়, ভালোলাগা তৈরি করে। এখনকার প্রজন্মও নজরুল কে নিয়ে চর্চা করছে।
নানাভাবে শ্রোতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
তাঁকে নিয়ে গবেষণাও করছেন, নজরুল সঙ্গীত কেন আপনাকে প্রভাবিত করেছে?
নজরুলের সৃষ্টিকালের ব্যাপ্তী ছিল মাত্র ২৩ বছর। নজরুল ১৩ বছর সঙ্গীত সাধনায় মগ্ন ছিলেন এই বিষয়টি আমাকে প্রভাবিত করে। সঙ্গীতের পাশাপাশি নজরুলকে জানার যে আগ্রহ তৈরি হয়, সেখান থেকে তার ওপর পড়াশোনা শুরু হয়। তার ১৩ বছর সঙ্গীত সাধনার সময় তিনি মানুষের ভালোবাসার কথা বলেছেন, উজ্জীবিত করেছেন, পরাধীনতা থেকে বাঙালিকে প্রেরণা দিয়েছেন। সেই বিষয়গুলো জানার জায়গা থেকে নজরুল গবেষণায় যুক্ত হওয়া।
নজরুলের গানের ওপর ভালোবাসা তৈরি হয় কিভাবে?
নজরুল সঙ্গীতে ওপর ভালোবাসার তৈরি হয় অনেক শৈশবে। যখন কাজী নজরুল ইসলামের কিছু বিখ্যাত গান, রিদোমিক গান মোমের পুতুল, শুকনো পাতায় নুপুর পায় গানগুলোর সঙ্গে নাচ করতাম। নাচ করতে গিয়েই সেটি কেবলি নাচের মধ্যে আর সীমাবদ্ধ থাকেনি। নজরুলের গানের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।
মাহমুদ সালেহীন খান










