স্নিগ্ধার ঈদের নাটক‘ হাবু মামার বিয়ে’

স্নিগ্ধা ও তামিল অনিক প্রধান কে নিয়ে জুটি করে নতুন নাটক নিয়ে হাজির হচ্ছেন এস জে সি এস পলাশ। মুক্তার আলী মুক্তার রচনা, হাবু মামার বিয়ে নাটকটি নিয়ে নির্মাতা ভীষণ আশাবাদী। নাটকতিতে স্নিগ্ধা দায়িত্বশীল, বাস্তববাদী নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তামিল অনিক এখানে একজন রসিক, উদারমনা মানুষ। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন তারেক, হেদায়েতুল্লাহ তুর্কী, প্রিয়া শেখ, জিনাত পুনম, বাবু প্রমূখ।

গল্পের শুরুতে বিয়েতে রাজি নন এমন একজন মানুষ হাবু মামা একটি ফুল কুড়িয়ে পান। ফুল নিয়েই তার বিপাক শুরু। ফুলটা কার? কোন অসহায় প্রেমিক অথবা প্রেমিকা ফুল হারিয়েছেন। ফুলের মালিক খুজতে খুজতেই নায়িকার সঙ্গে সাক্ষাৎ। প্রচন্ড অনিচ্ছাস্বত্ত্বেও নিজের অজান্তেই হাবু মামা প্রেমে পড়ে যান। কমেডি নির্ভর নাটকে একটি মেসেজ থাকে। বিয়েভীতি দূর করার মেসেজ। স্নিগ্ধা ও তামিল অনিক জুটির সঙ্গে নির্মাতার এটি প্রথম কাজ।

নির্মাতা পলাশ জানান, এই জুটিকে নিয়ে তার আরও কিছু পরিকল্পনা আছে। এবং দ্রুতই দুটি ধারাবাহিক ও একটি খন্ড নাটকের শ্যুটিং শুরু হবে সব ঠিক থাকলে। আদর্শ ব্যাচেলর সঙ্ঘ এবং অ-সুখ নামের দুই ধারাবাহিকেই দর্শকদের চাহিদা মাথা রাখা হয়েছে। এবং এই দুই গল্পে স্নিগ্ধা ও তামিল অনিক থাকবেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, মঞ্চ থেকে উঠে আসা এরকম শিল্পীদের বাদ দেয়ার চিন্তাই করা যায়না। ভালো হতো আরও আগেই ওদের সঙ্গে কাজ হলে।

হাবু মামার বিয়ে নাটক সম্পর্কে জানতে চাইলে স্নিগ্ধা হোসেন বলেন, গল্পটা একটু ব্যতিক্রম ধর্মী গল্প। এই গল্পে রোমান্স কমেডি সব কিছুই আছে। স্নিগ্ধা আরো বলেন, পরিচালক পলাশ সরকারের সঙ্গে তার প্রথম কাজ, তার জুটি হিসেবে ছিলেন তামিল অনিকের সঙ্গেও আমার প্রথম কাজ। সর্বোপরি ডিরেক্টর পলাশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে অনেক ভালো লেগেছে। সব আর্টিস্টি আন্তরিক এবং ডিরেক্টর সাহেব ও অনেক আন্তরিক মনেই হয়নি তার সঙ্গে আমার প্রথম কাজ। আসলে থিয়েটারের মানুষদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা চমৎকার। সুযোগ হলে এই টিম এর সঙ্গে আমি আরো কাজ করবো। আশা করছি আমাদের এই নাটকের গল্প দর্শকদের ভালো লাগবে।

মাহমুদ সালেহীন খান