বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গনে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধূলার মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক, কৃষিকন্যা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, সংস্থাপন শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও এস্টেট অফিসার (অ.দা.) কৃষিবিদ হাবিব মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুসরাত আইরিন এবং আফরোজা বেগম ইতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৌহিদা বেগম। এসব শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং শিক্ষার্থীরা যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। পরে বিকেলে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, শিশুদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিবর্তনীয়। ক্লাসরুমের শিক্ষা যেমন প্রয়োজন, তেমনই প্রয়োজন মুক্ত পরিবেশে দৌড়-ঝাঁপ, খেলাধুলা আর সৃজনশীল প্রকাশের সুযোগ। এসব অভিজ্ঞতা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, শৃঙ্খলা শেখায় এবং ভবিষ্যতের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে।

স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয় সবসময়ই শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। শুধু পাঠ্যক্রম নয়, খেলাধুলা, সংস্কৃতি আর মানবিক মূল্যবোধ এসব মিলেই একটি শিশু পরিণত হয় সুনাগরিক হিসেবে। আমি আয়োজনে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের ধন্যবাদ এবং দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা সাফল্যমণ্ডিত হওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা করছি।

– বেলাল হোসেন