দীর্ঘ ২৮ মাসের অবরোধ, হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের ফলে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃত ও পদ্ধতিগতভাবে হাসপাতাল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং চিকিৎসাকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত “যুদ্ধবিরতি” কার্যকর থাকলেও স্বাস্থ্য খাতের সংকট কমেনি।খবর আলজাজিরার।
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২টি হাসপাতাল সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে এবং ২১১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উত্তর গাজায় বর্তমানে কোনো কার্যকর হাসপাতাল নেই। ফলে আহত ও অসুস্থ মানুষকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হেঁটে গাজা শহরের অল্প কয়েকটি চালু হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।ঔষুধ সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি ৫২ শতাংশে পৌঁছেছে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে এ হার ৬২ শতাংশ। প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার দীর্ঘমেয়াদি রোগী নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ পাচ্ছেন না, যা অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরুরি রোগী সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গাজার ভেতরেই স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠন সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। তবে রাফাহ সীমান্তে কড়াকড়ি, চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা এবং অব্যাহত হামলা সেই প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
-বেলাল হোসেন










