নাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে জামায়াতে ইসলামীর ৫০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টারের বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা বিএনপিতে যোগদান করেন। জামায়াত নেতাদের বিএনপিতে যোগদানের ঘোষনায় স্থানীয় রাজনীতিতে এক বড় ধরনের চমক সৃষ্টি হয়েছে।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঝিনাইদহ-২ আসনে ধানের শীষের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাড. এম এ মজিদ।
এ সময় হরিণাকুণ্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাসুদ হোসেন বক্তব্য দেন।
ঝিনাইদহ-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাড. এম এ মজিদ বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে শামিল হতে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা দেশের ইতিহাসে নজির হয়ে থাকবে। আপনাদের এই অন্তর্ভুক্তি তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপিকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করবে।
দলত্যাগী জামায়াত নেতা মাসুদ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কৌশলে আমাদের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির আদর্শ ও গণমুখী কার্যক্রম আমাদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। এ কারণেই আমরা এম এ মজিদের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। এখন থেকে আমরা রাজপথে বিএনপির সঙ্গেই থাকবো।
এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির মো. বাবুল হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, বিএনপিতে যোগদানের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, মাসুদ হোসেন কোনোদিন কোনো পর্যায়ে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই এই যোগদান নাটক সাজানো হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
যোগদান অনুষ্ঠানে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টারের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা রিপন প্রমুখ।
-সাইমুন