শেষ মুহূর্তে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের স্থান নিয়ে ধোঁয়াশা

ইস্তাম্বুলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকের স্থান নিয়ে শেষ মুহূর্তে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারের বৈঠকটি তুরস্কের বাইরে অন্য কোনো দেশেও অনুষ্ঠিত হতে পারে।

আঙ্কারার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকের সঠিক স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে যেকোনো স্থানেই আলোচনা হোক না কেন, কূটনৈতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার জন্য তুরস্ক প্রস্তুত রয়েছে।

দীর্ঘ উত্তেজনার পর এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে আন্তর্জাতিক মহল। বিশেষ করে গত গ্রীষ্মে ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এটিই হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে প্রথম সরাসরি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকের মাধ্যমেই বোঝা যাবে ওয়াশিংটন আসলে কতোটা ফলপ্রসূ এবং গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ফিরতে চায়। তবে তেহরান সাফ জানিয়েছে, তারা তাদের ব্যালেস্টিক মিসাইল বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো ধরনের আপস করবে না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বৈঠকের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আঞ্চলিক বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর অনুরোধে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার শর্তে তিনি এই আলোচনার অনুমতি দিয়েছেন। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হুমকি বা অযৌক্তিক প্রত্যাশার পরিবেশ থাকলে ইরান পিছু হটবে না।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা আলি শামখানি স্পষ্ট করেছেন, ইরান যদি তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমাতে হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রকেও বিনিময়ে বড় কোনো ছাড় দিতে হবে।

-সাইমুন