যেকোনো পুরস্কার কাজের স্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। দায়িত্বটাও বেড়ে যায়। যত দিন সুস্থ থাকি, আরও কাজ করার ইচ্ছা জেগে উঠল। ২০০৩ সালে ‘কষ্ট’ সিনেমায় যখন জেমসের গাওয়া ‘মা’ গানটি ব্যবহার করা হলো, তখন থেকেই শুনে আসছি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যাব। ২০০৯ সালে ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ সিনেমায় লিমনের গাওয়া ‘জেলখানার চিঠি’ গানের বেলাতেও এমন শুনেছিলাম। প্রথম দিকেই আমার নাম আছে, তেমন খবরও পেয়েছিলাম। কিন্তু পুরস্কার আর পাওয়া হয়নি।
এবারও ‘প্রিয়তমা’ মুক্তির সময় থেকে শুনছিলাম ‘ঈশ্বর’ গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাব। কিন্তু আগের অভিজ্ঞতার কারণে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। অবশেষে পুরস্কারটি পেলাম। দুই যুগ ধরে ‘না’ শুনে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এবার পুরস্কার পাওয়াটা চমকের মতো লাগছে। তবে সিনেমায় আপাতত আর কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
কিছু কাজ হাতে নেওয়া আছে, সেগুলো অবশ্যই শেষ করব। নিজের কিছু গান করার পরিকল্পনা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত আমার। ভবিষ্যতে সময়ের প্রয়োজনে যদি আবার সিনেমার গান করা লাগে, সেটা তখন দেখা যাবে।
মাহমুদ সালেহীন খান










