ঝিনাইগাতীতে সহিংসতায় জামায়াত নেতার মৃত্যু, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন

ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম (৪২) নিহত হওয়ার ঘটনায় শেরপুর জেলায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার গোপালখিলা গ্রামে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের বসতবাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।

সকাল ১১টার দিকে নিহতের বাড়িতে সান্ত্বনা জানাতে যান জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। প্রাথমিকভাবে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিহতের স্বজনরা দ্রুত বিচার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, মাওলানা রেজাউল করিমের প্রথম জানাজা শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। রাতে নিজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী এলাকায় চার প্লাটুন বিজিবি এবং সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ঝিনাইগাতী বাজার এলাকাসহ আশপাশে নীরবতা বিরাজ করছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জানান, এখনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

-মো. মাকসুদুর রহমান, শেরপুর