রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) চালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চক্ষুসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বিআরটিসি ও ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বুধবার রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে ‘পরিবহন ভবন’-এর সভাকক্ষে এ সমঝোতা চুক্তিতে বিআরটিসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান, আব্দুল লতিফ মোল্লা এবং ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর, মিশা মাহজাবীন।
চুক্তি অনুযায়ী, ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশ বিআরটিসির প্রায় ৪ হাজার চালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চক্ষুপরীক্ষা সেবা প্রদান করবে। যাদের চশমার প্রয়োজন হবে (রিডিং গ্লাস ও প্রেসক্রিপশন উভয় ধরনের) তাদের চশমা প্রদান করা হবে।
চোখ পরীক্ষার এই কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে ঢাকা থেকে শুরু হবে এবং ধীরে ধীরে সারা দেশে বিআরটিসি’র ডিপো/ইউনিটগুলোতে কার্যক্রম চলবে। পরীক্ষা ফি বাবদ সেবাগ্রহীতারা জনপ্রতি ৫০ টাকা নিবন্ধন ফি প্রদান করবেন। প্রদানের এই কার্যক্রম আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ২০২৭ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
অনুষ্ঠানে বিআরটিসি চেয়ারম্যান, আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আমাদের চালকরা এই চক্ষুপরীক্ষা সেবা কার্যক্রমের আওতায় আসলে, চালকদের চোখ পরীক্ষা করতে পারলে, চালকরা অন্তত চক্ষু সমস্যার কারণে দুর্ঘটনা কম করবে।
ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিশা মাহজাবীন বলেন, বাংলাদেশে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ লাখ শ্রমিকের চোখ পরীক্ষা করেছি এবং তাদের মধ্যে ৩০ শতাংশের বেশি শ্রমিকের চশমার প্রয়োজন ছিল এবং তারা চশমা পেয়েছেন। আমরা আরো বেশি এ সেবা পৌঁছে দিতে চাই। ২০০১ সাল থেকে ভিশনস্প্রিং নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে চশমা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিসি’র পরিচালক অর্থ ও হিসাব, ড. অনুপম সাহা, পরিচালক প্রশাসন ও অপারেশন, মো. রাহেনুল ইসলাম, পরিচালক কারিগরী ও প্রশিক্ষণ, কর্নেল কাজী আইয়ুব আলী, কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের জিএম, ডিজিএমরা, প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এবং ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশ কর্মকর্তারা প্রমুখ।