বিদেশে উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ পেতে স্যাট

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিদেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি ও শিক্ষাবৃত্তি নিশ্চিত করতে এসএসসি বা এইচএসসির পর শিক্ষার্থীদের স্যাট পরীক্ষায় অংশ নেওয়া জরুরি।

বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘স্কলাস্টিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট’ বা স্যাট (SAT) স্কোরকে অন্যতম প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ভর্তির আবেদনের পাশাপাশি আকর্ষণীয় স্কলারশিপ পেতে এই স্কোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞান, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরাই উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম বর্ষ থেকে এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

অনলাইনে নির্ধারিত ফি প্রদানের মাধ্যমে স্যাটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এই পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আবেদনের জন্য বৈধ পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক। বছরে মোট সাতবার (মার্চ, মে, জুন, আগস্ট, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর) স্যাট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কোনো নেতিবাচক নম্বর না থাকায় শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জনে বারবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পান, যদিও খরুচে হওয়ার কারণে একবারেই ভালো প্রস্তুতির পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

মোট ১,৬০০ নম্বরের এই পরীক্ষাটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। এর মধ্যে ইংরেজি (Reading & Writing) অংশে ৫৪টি প্রশ্নের জন্য ৬৪ মিনিট এবং গণিত অংশে ৪৪টি প্রশ্নের জন্য ৭০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকে। সম্পূর্ণ পরীক্ষাটি ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিটে সম্পন্ন হয়। হার্ভার্ড, এমআইটি বা স্ট্যানফোর্ডের মতো শীর্ষ বিদ্যাপীঠগুলোতে ভর্তির জন্য সাধারণত ১৪৪০ থেকে ১৫৮০-এর মধ্যে স্কোর থাকা প্রয়োজন।

সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রস্তুতির মাধ্যমে স্যাট স্কোর অর্জিত হলে তা বিদেশের মাটিতে বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার পথকে সুগম করে।

মালিহা