সাতক্ষীরা আড়াই কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

মোঃ ইমন ইসলাম
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামে সংঘটিত আলোচিত আড়াই কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় পুলিশি অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত মোকসেদ, হাফিজুর ও সাঈদ নামের তিনজন ডাকাত গ্রেপ্তার করেছে খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্প।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে লুটকৃত তিন লাখ টাকা।খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামান–এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ সদস্য সাদ্দাম ও অমিতও উপস্থিত ছিলেন। তিনজনের যৌথ তৎপরতায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও অর্থ উদ্ধার সম্ভব হয়। ডাকাতির মতো স্পর্শকাতর ও বহুল আলোচিত একটি ঘটনায় অল্প সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে এলাকাজুড়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামান নিরলসভাবে তদন্তে যুক্ত ছিলেন। রাতদিন এক করে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্থানীয় সোর্সের সমন্বয়ে তিনি দ্রুত অভিযানে নামেন। তার পেশাদারিত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই স্বল্প সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা আইনের আওতায় আসে এবং লুটকৃত অর্থের একটি অংশ উদ্ধার সম্ভব হয়।

এলাকাবাসীর ভাষ্য,এত বড় একটি ডাকাতির ঘটনার পর মানুষ ভয় ও আতঙ্কে ছিল। কিন্তু পুলিশ যেভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, বিশেষ করে এএসআই বি এম তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে সাদ্দাম ও অমিতের ভূমিকা ছিল সাহসী ও প্রশংসনীয়।”স্থানীয়দের মতে, পুলিশের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি অপরাধীদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা—আইনের হাত থেকে কেউ রেহাই পাবে না।

এদিকে তদন্তের অংশ হিসেবে ডাকাত দলের সদস্য মোকসেদের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাটকেলঘাটা থানায় নেওয়া হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করা এবং বাকি লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

-সাইমুন