চট্টগ্রামে জাহাজ থেকে তেল খালাসের সময় প্রায় পৌনে ১৪ কোটি টাকার ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত জ্বালানি তেল) উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় অভিযান চালিয়েছে দুদক।আজ রোববার দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ এমরানের নেতৃত্বে একটি টিম ইস্টার্ন রিফাইনারিতে গিয়ে নথিপত্র সংগ্রহ করেন।
বিএসসি বলছে, কর্ণফুলী নদীর পতেঙ্গা ডলফিন জেটি থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারির উপকূলীয় ট্যাঙ্কের দূরত্ব ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার। হিসাব অনুযায়ী, কুতুবদিয়া অ্যাংকরে আসা দুটি জাহাজে যৌথ সার্ভেতে নির্ধারিত আলেজ (তৈলজাত পণ্যের তৈলাধারে ধারণ করা তেল) থেকে উপকূলীয় ট্যাঙ্কে তেল খালাসের পর প্রায় পৌনে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের ২ হাজার ৩৬২ দশমিক ১৪৪ টন ক্রুড অয়েলের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এক লাখ ৯ হাজার ৭৪১ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশে আসে ‘নরডিক স্কিয়ার’ নামের একটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ। এরপর গত ৪ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ‘নরডিক ফ্রিডম’ নামে আরেকটি জাহাজ ৯৯ হাজার ৮৯৩ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের কুতুবদিয়া অ্যাংকরে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) তথ্য অনুযায়ী, জাহাজ দুটি থেকে খালাস করে ইস্টার্ন রিফাইনারির উপকূলীয় ট্যাঙ্কে নিতে অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে ক্রুড অয়েল। জাহাজ দুটিতে বিএল পরিমাপে দুই লাখ ৯ হাজার ৫৮৪ দশমিক ৯০ টন ক্রুড অয়েল ছিল। জেটিতে যুক্ত পাইপের মাধ্যমে ডিপো বা রিফাইনারির ট্যাঙ্কে নেওয়ার পর উপকূলীয় ট্যাঙ্কে পরিমাপ করে পাওয়া যায় দুই লাখ সাত হাজার ২২১ দশমিক ৯৪৬ টন। যা জাহাজের পরিমাপ করা তেল থেকে দুই হাজার ৩৬২ দশমিক ১৪৪ টন কম।
-সাইমুন










