৪ দিনের সফরে ঢাকায় লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট

লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মনোজ শাহ এবং তাঁর সহধর্মিণী জাইনা শাহ চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে এসেছেন। ‘লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫, বাংলাদেশ’-এর আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় আসেন।

এ উপলক্ষে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ড. মনোজ শাহ বলেন, বাংলাদেশে লায়ন্সের সেবামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সুসংগঠিত।

এখানকার লায়ন্স সদস্যদের নিষ্ঠা, নেতৃত্ব ও মানবিক চেতনায় আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতা ও সমর্থন আরো জোরদার করা হবে। 

তিনি বলেন, গত দুই দিনে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশের লায়ন্স সদস্যরা সমাজের গরিব–দুঃখী মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।

বিশেষ করে লায়ন্সের শিশু ক্যান্সার প্রতিরোধ প্রকল্প ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। বাংলাদেশের লায়ন্সদের এই কর্মকাণ্ড আমার মন ছুঁয়ে গেছে। সারা দেশে লায়ন্সের অনেকগুলো ক্লাব নিরন্ন মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছে। সারা বছরই এসব ক্লাবের সদস্যরা সমাজের ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে আমার দেখা অন্যতম সেরা প্রকল্প হলো– বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন। এই প্রকল্পটি অনেক বিশাল। প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এই ফাউন্ডেশনের আওতায় সেবা পেয়ে থাকেন। 

মনোজ শাহ জানান, লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মানবসেবামূলক ফাউন্ডেশন। এ বছর আমরা সারা বিশ্বে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা অনুমোদন করেছি।

সারা বিশ্বে ১৬০ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের ডাইরেক্টর নাজমুল হক এবং মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫, বাংলাদেশের কাউন্সিল চেয়ারপারসন মো. আশরাফ হোসেন খান হীরা।

অনুষ্ঠানে নাজমুল ইসলাম বলেন, ড. মনোজ শাহের এই সফর বাংলাদেশের লায়ন্স আন্দোলনের জন্য একটি মাইলফলক। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের সেবামূলক কার্যক্রম আরো শক্তিশালীভাবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে লায়ন্সের ৩০০টিরও বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে।

আশরাফ হোসেন খান হীরা বলেন, এই উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের লায়ন্স কার্যক্রম নতুন গতি ও দিকনির্দেশনা লাভ করবে।

-সাইমুন