শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক নারী এবং মেঝে থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুভ আরও জানান, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন এবং তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছিলেন। এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশা থেকেই প্রথমে ৯ মাসের শিশু সন্তান বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। সাদ্দামের বাড়িতে তার মা, বোন, স্ত্রী ও সন্তান একসঙ্গে বসবাস করতেন।
নিহত স্বর্নালীর বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যাই করেছে। আমরা কাউকে দোষ দিতে চাই না। ময়নাতদন্ত ছাড়া মেয়ে ও নাতনির মরদেহ নেওয়ার জন্য আমরা আবেদন করেছি। এখন প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেয়।’
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিহতের পরিবার, শ্বশুর বাড়ির লোক ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী নিজের সন্তানকে হত্যার পরে ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। মূলত ময়নাতদন্তের পরে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’










