যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিনেই বিধি ভঙ্গের দায়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন দুই প্রার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরশহরে বিশাল গণমিছিল বের করে মহাসড়ক অবরোধ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এবং এক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মোট ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি ও বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেনের ‘কলস’ প্রতীকের সমর্থনে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়। কয়েক হাজার মানুষের এই মিছিলের কারণে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর পৌরশহর অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। কলস প্রতীকের মিছিল শেষ হতে না হতেই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের আরেকটি বিশাল গণমিছিল একই পথে বের হয়। পরপর দুটি বড় মিছিলের কারণে ওই মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, ফলে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় পৃথক দুটি অভিযানে জরিমানা আদায় করা হয়:
১. কলস প্রতীক: মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহিন দায়ান আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ ইকবাল হোসেনের প্রতিনিধির কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। ২. দাঁড়িপাল্লা প্রতীক: যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার দাস অভিযান চালিয়ে জামায়াত প্রার্থী গাজী এনামুল হকের প্রতিনিধির কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
মণিরামপুরের এ্যাসিল্যান্ড মাহিন দায়ান আমিন জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটানো দণ্ডনীয় অপরাধ। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।
–লামিয়া আক্তার










