জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং দৈনিক যায়যায়দিন এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গেন্ডারিয়া থানা বিএনপির এর ওয়ার্ড সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মাহবুব। তিনি গেন্ডারিয়া থানা ৪০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তার নেতৃত্বেই দশ থেকে বারো জন নেতাকর্মীরা জহিরুলকে এক গলির মধ্যে নিয়ে মারধর করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম গেন্ডারিয়া থানাতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, হামলাকারীদের মধ্যে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ। আটককৃত ব্যাক্তির নাম ফারুক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ মোড়ের নিকটে দাঁড়িয়ে ছিল ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম। সেখানে জহিরুলের বন্ধু মারুফ মোবাইলে উচ্চ শব্দে কথা বলায় স্থানীয় বিএনপি নেতা থামতে বলেই মারধর শুরু করেন। পরে জহিরুল ইসলাম নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক পরিচয় দিলে তাকে মারধর শুরু করেন। পরে গলির মধ্যে নিয়ে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ১০-১২ জন নেতাকর্মী এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। সর্বশেষ জহিরুলের বুকে তিনটি সজোরে লাথি মারা হয়।
এ নিয়ে ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি দয়াগঞ্জ মোড়ের সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমার বন্ধু মারুফ মোবাইলে একটু জোরে কথা বলতে ছিল। পরে একজন নিজেকে প্রভাবশালী নেতা পরিচয় দিয়ে আমার ওপর হামলা করে। আমি আইনি প্রক্রিয়ায় এসেছি। গেন্ডারিয়া থানায় মামলার কার্যক্রম চলছে।
এ নিয়ে জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ঘটনা শোনা মাত্রই এখানে উপস্থিত হয়ে জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করি। পরে এখানকার লোকদের কাছে জানতে পারি মাহবুব নামে এক ব্যক্তি দশ- বারোজন মানুষ নিয়ে জহিরুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। পরে জানতে পারি মাহবুব গেন্ডারিয়া থানার ৪০ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি। এখন জহিরুল ইসলামকে নিয়ে আমরা থানায় যাচ্ছি। তিনি এ ঘটনার বিরুদ্ধে মামলা করবেন।
এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খাঁন বলেন, আমাদের টিম এখনো মাঠে আছে। সারা রাত হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে।
-সাইমুন










