বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাদারীপুর ও টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে পাট মজুদের বিরুদ্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাট অধিদপ্তর। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) এ অভিযানে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার তিনটি প্রতিষ্ঠান বিগবটম লিমিটেড, এসএস ট্রেডার্স এবং এসএসএস বিজনেস পার্ক লিমিটেড- এর ২৬ গুদামে মোট ৬৭,৬৫৪ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, এ তিন প্রতিষ্ঠান রপ্তানিকারক লাইসেন্স হলেও এখন পাট রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় উক্ত প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মজুদ করা পাট বিক্রয়ের আদেশ করা হয়।
এর পর টেকেরহাট পাট বাজার পরিদর্শন করে ব্যবসায়ী মোহাব্বত আলীর গুদামে ৩০০ মন, আমিনুলের গুদামে ২৫০ মন, মহাদেবের গুদামে ২৫০ মন,আজাদের গুদামে ৫০ মন,আবুল বাশার হাওলাদারের গুদামে ৫৮০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। উক্ত ব্যবসায়ীদেরকে ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মজুদ করা পাট বিক্রয়ের আদেশ করা হয়।
এসময় মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক, ফরিদপুর; মো. নওশের আজাদ, মুখ্য পরিদর্শক, মো. জালাল আহমেদ, পাট উন্নয়ন সহকারী, মাদারীপুর উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, টাংগাইলে মির্জাপুর উপজেলার জার্মুকী বাজার,কুর্নি ; সদর উপজেলার বরুহা বাজার,দেরদুয়ারের ছিলিমপুর বাজার, গোপালপুর উপজেলার কোনাবাড়ী বাজার, কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গাতে ব্যবসায়ীদের গুদামে ১০ মন থেকে ৫০০ মন পর্যন্ত পাট মজুদ পাওয়া গেছে। মজুদ করা পাট বিক্রির জন্য ৭ দিনের সময় দেয়া হয়েছে।
অভিযানে পাট অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: ওমর ফারুক তালুকদার, টাংগাইল সদরের পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আজমত আলী আকন্দ, সদর উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী মো: রায়হান, কালীহাতি উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী রমেশ চন্দ্র সূত্রধর, গোপালপুর উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী জানে আলম উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন,”পাটের অবৈধ মজুদদারি বন্ধ করলে পাটজাত পণ্য তৈরিতে পাটের যোগান হবে,পাটখাত তথা দেশের রফতানি খাত লাভবান হবে। মাননীয় উপদেষ্টার নির্দেশনাতে এ কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। ”
-মামুন










