শরণার্থী সহায়তা সংস্থার ভবন ভাঙলো ইসরায়েল

জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তাকারী জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা উনরার সদর কার্যালয় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। একই সময়ে পশ্চিম তীরের কালান্দিয়ায় অবস্থিত জাতিসংঘ পরিচালিত একটি বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে উনরার বিরুদ্ধে হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করে আসছে, যদিও সংস্থাটি এসব অভিযোগ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। গত বছর ইসরায়েল তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় উনরার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। সাম্প্রতিক এই ধ্বংস অভিযানকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাটির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সর্বশেষ কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পশ্চিম তীরে উনরার পরিচালক রোল্যান্ড ফ্রিডরিচ জানিয়েছেন, ভোরের দিকে পুলিশ ও ধ্বংসকারী দল পূর্ব জেরুজালেমের সদর দপ্তরে প্রবেশ করে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ও উসকানির কারণে প্রায় এক বছর ধরে স্থাপনাটি কার্যত বন্ধ ছিল। তবুও ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে ঢুকে বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে এবং নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেয়।

শেখ জাররাহ এলাকায় অবস্থিত ভবনটির ওপর পরে একটি ইসরায়েলি পতাকা উত্তোলন করা হয়। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ঘটনাটিকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, উনরা ও হামাস সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম আগেই ওই স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে বর্তমানে কোনো জাতিসংঘ কর্মী বা কার্যক্রম নেই।

সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান

-আফরিনা সুলতানা/