এবারের নির্বাচন গোঁজামিলের হবে না: প্রধান উপদেষ্টা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন-সংক্রান্ত যে কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত জানাতে হবে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনবো; সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার থাকে, নেব। এবারের নির্বাচন কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না।’

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল সাক্ষাতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রগুলোকে খুব দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতাধীন আনা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অধিকাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। এগুলো জানুয়ারির মধ্যে ইনস্টল হয়ে যাবে। ঝুঁকির আশঙ্কা আছে এমন কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে এগুলো সব মনিটর করা হবে। ফুটেজ রেকর্ডেড থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটা মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কেউ কেউ বলছেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণা আইনসম্মত কিনা। আমরা নিশ্চিত হয়েছি এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে থাকা।

তিনি বলেন, এবারের ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতেই হবে। যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সবার– সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল,   সবার। এ ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিরসনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অংশগ্রহণে যাতে কার্যকর ব্যবস্থা হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন উপলক্ষে একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে, যেখানে সব ধরনের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে সাক্ষাতে অংশ নেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

-saimun