আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তার প্রার্থিতা বাতিলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। একটি অসাধু মহল তার স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কী?
গিয়াস উদ্দিনের দাবি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তার অগোচরেই তার ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নাটক সাজানোর অপচেষ্টা চলছে।
চিঠিতে যা বলেছেন গিয়াস উদ্দিন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন:
তিনি কোনোভাবেই তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছেন না এবং ভবিষ্যতেও করবেন না।
তার নাম বা স্বাক্ষর ব্যবহার করে কেউ আবেদন করলে তা যেন গ্রহণ করা না হয়।
এই ধরনের জালিয়াতি কেবল তার ব্যক্তিগত অধিকারই নয়, বরং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশকেও নষ্ট করবে।
“আমি নির্বাচনী লড়াইয়ে আছি এবং থাকবো। আমার স্বাক্ষর নকল করে কেউ যদি বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তা যেন আমলে নেওয়া না হয়।” — মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
প্রশাসনের বক্তব্য
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এখন পর্যন্ত গিয়াস উদ্দিনের নামে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন আমাদের কাছে আসেনি। তবে প্রার্থীর আশঙ্কার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা সব সময় সতর্ক।”
সব মিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জের এই আসনে ভোটের লড়াই শুরুর আগেই আইনি ও কৌশলগত লড়াই বেশ জমে উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, গিয়াস উদ্দিনের এই আগাম সতর্কতা তার নির্বাচনী পথ কতটা মসৃণ করে।
-saimun










