ইরানকে সম্প্রতি একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু দেশটির ভেতরেই নয়, পুরো অঞ্চলজুড়েই আরও বড় ধরনের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে এসব হুমকি। ইরান বারবার সতর্ক করেছে যে, তাদের ভূখণ্ডে বা স্বার্থে কোনো বড় ধরনের হামলা হলে তারা পুরো অঞ্চলে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। তারা একে “প্রতিরোধমূলক যুদ্ধের” অংশ হিসেবে দেখছে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায় (ইরানে), সেক্ষেত্রে ‘সব ধরনের সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য’ প্রস্তুত আছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরান ‘পুরো অঞ্চলকে আগুনে জ্বালিয়ে দেবে’।
বাঘের গালিবাফের এমন হুঁশিয়ারিকে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন জাহাজ, মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরাইলের ভূখণ্ড ইরানের জন্য ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হবে বলেও সতর্ক করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার।
এদিকে ইরানে হামলা চালানো হলে শত্রুর জন্য ‘অনেক চমক’ অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়ার পর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরজাদেহ এই মন্তব্য করলেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত আল জাজিরা জানায়, আজিজ নাসিরজাদেহ এক নিরাপত্তা বৈঠকে বলেছেন, তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, ইরানে যেকোনো হামলায় সহায়তা দেয়া দেশগুলোও ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত হবে।
নাসিরজাদেহ জানান, গত জুন মাসে ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ইরান ইতোমধ্যে কাটিয়ে উঠেছে এবং সামরিক উৎপাদন সক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
খবর আল জাজিরার।
-মামুন










