রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীতে অস্থিতিশীলতা প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ শুরু হয়েছে। অভিযানের গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক তল্লাশিতে আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাসহ মোট ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

পুলিশ জানায়, বিশেষ এই অভিযানের অংশ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া আরএমপির বিভিন্ন থানা ও মহানগর ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে আরও ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ জন আসামি, মাদক মামলার ৫ জন এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত ১৯ জন রয়েছেন।

চলমান অভিযানের সবচেয়ে আলোচিত গ্রেপ্তারটি হয়েছে মহানগরীর মতিহার থানার অক্ট্রোয় মোড় এলাকা থেকে। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হানিফ মোহাম্মদ পলাশকে (৪২)। তিনি পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা একেএম ফজলুল হক হলের সেকশন অফিসার হিসেবে কর্মরত। তিনি মহানগরীর পবা থানার কিসমতকুখন্ডী বুধপাড়া এলাকার জোনাব আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।