নাটোরের সিংড়া উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষের কর্মীর দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত রায়হান কবীর (৪৫) সিংড়া উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদের কর্মী। দাউদার মাহমুদ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।
আহত কর্মীর নাম রায়হান কবীর (৪৫)। তিনি সিংড়া উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদের সমর্থক।এ ঘটনায় রায়হান কবীরের ছেলে মেহেদী হাসান নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেনসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন
রায়হান কবীরের ছেলে মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমার আব্বার অবস্থা ভালো না। তাঁর দুই পায়ের রগই কাটা পড়েছে। রক্ত পড়া বন্ধ হচ্ছে না। তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
রায়হান কবীরের বড় ভাই আব্দুল করিম বলেন, ঘটনার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে রায়হান বলেছেন বিএনপি প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের কর্মী হিজলী গ্রামের রমজান আলী ও সোহানুর রহমানের নেতৃত্বে রহিদুল, আওয়াল, ফরহাদসহ বেশ কয়েকজন এই হামলা চালিয়েছে।
সোহানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সে সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পারিবারিক দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটেছে। এখন ঘটনার সঙ্গে নির্বাচন টেনে আনা হচ্ছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদ বলেন, রগ কেটে রায়হান কবীরকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি করার কারণে সে গত ১৭ বছর চরম নির্যাতিত হয়েছিল। এখন দলের নেতা-কর্মীদের হাতে প্রাণ হারাতে বসেছে।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অপরাধীদের কোনো দল নাই। যারাই রায়হানের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আমার কোনো কর্মী তার ওপর হামলা করেনি।’
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুর নুর বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। লিখিত অভিযোগটির প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামুন/










